নাম:* উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির বীজ
*জাত:* হাইব্রিড/উন্নত মানের বারোমাসি জাত
*রঙ:* সবুজ থেকে হালকা সবুজ পাতার ঢেউযুক্ত বল
*আকৃতি:* মাঝারি থেকে বড় আকৃতির বলের মতো
*ওজন:* প্রতিটি বাঁধাকপি ১.৫–৩ কেজি পর্যন্ত হতে পারে
—
*বৈশিষ্ট্য:*
– দ্রুত বৃদ্ধি ও স্বল্প সময়ে ঘন বল গঠন করে
– পাতা ঘন ও শক্ত, বাজারে পরিবহনে সুবিধা
– রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি (ডাউনি মিলডিউ, পাউডারি মিলডিউ ইত্যাদি)
– অতিরিক্ত কীটনাশক ছাড়াই ভালো ফলন
– শহর ও গ্রামীণ অঞ্চলের জন্য উপযোগী
– স্বাদে মিষ্টি, রান্না ও সালাদ উভয়ের জন্য উপযুক্ত
—
*চাষকাল:*
– অক্টোবর – ডিসেম্বর (শীতকালীন মৌসুম)
– কিছু বারোমাসি জাতে সারা বছর চাষ সম্ভব
*বপনের দূরত্ব:*
– সারি থেকে সারি – ৫০ সেমি
– গাছ থেকে গাছ – ৪০ সেমি
*সার ব্যবস্থাপনা:*
– গোবর / কম্পোস্ট: ১০-১২ কেজি/শতাংশ
– ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি, বোরন ও সালফার পর্যায়ক্রমে প্রয়োগ
– বাড়ন্ত অবস্থায় পাতা মোড়ানো শুরু হলে লাইট ফিডিং গুরুত্বপূর্ণ
*চারা রোপণ:*
– বীজ বপনের ২৫–৩০ দিনের মধ্যে চারা রোপণ
– রোপণের ৭৫–৯০ দিনের মধ্যে কাটার উপযোগী হয়
—
*ফলন:*
– ১ শতাংশে ২৫০–৩৫০ কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়
*বিশেষত্ব:*
– হাইব্রিড জাতের জন্য ফলন দ্বিগুণ
– বাজারে দাম ভালো, সংরক্ষণযোগ্যতা বেশি
– প্যাকেটিং ও প্রসেসিং এর জন্য উপযোগী
*স্লোগান:*
*”বাড়ে ফলন, বাড়ে লাভ — উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপিতে আপনার সফলতা!”*