*নাম:* হাইব্রিড সবুজ তরমুজ
*প্রকার:* হাইব্রিড, উচ্চ ফলনশীল
*রূপ:* ডিম্বাকৃতি থেকে লম্বাটে
*ওজন:* প্রতি ফল ৩–৫ কেজি পর্যন্ত
*বাহ্যিক রঙ:* গাঢ় সবুজ বা সবুজ-সাদা ডোরাকাটা
*শাঁসের রঙ:* উজ্জ্বল লাল
*স্বাদ:* মিষ্টি ও রসালো
—
*বিশেষ বৈশিষ্ট্য:*
– ফলন বেশি, বাণিজ্যিক চাষে লাভজনক
– রোগ প্রতিরোধী জাত
– দ্রুত পরিপক্ব হয় (৬৫–৭০ দিনের মধ্যে)
– গ্রীষ্মকালীন ও বারোমাসি চাষযোগ্য
– ছাদবাগান ও খোলা জমি – উভয়ের জন্য উপযোগী
– অধিক সময় সতেজ থাকে ও বাজারজাতকরণের উপযোগী
—
*রোপণের সঠিক সময়:*
– নভেম্বর থেকে মার্চ (শুকনো মৌসুম)
– তাপমাত্রা ২৫–৩৫°C হলে আদর্শ ফলন হয়
—
*চাষ পদ্ধতি:*
1. বীজ বপনের আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ১০–১২ ঘণ্টা
2. মাটি হতে হবে ঝুরঝুরে ও জৈবসারে সমৃদ্ধ
3. প্রতি ১ শতাংশ জমিতে লাগবে ৩০–৪০টি বীজ
4. বীজ থেকে ৭–১০ দিনের মধ্যে চারা জন্মায়
5. সার হিসেবে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ও গোবর ব্যবহার করুন
—
*পরিচর্যাঃ*
– ৫–৭ দিন পরপর হালকা সেচ
– আগাছা নিয়মিত পরিষ্কার করা
– ফল ভারি হলে নিচে খড় বিছিয়ে দিন
—
*ফল সংগ্রহ:*
– বীজ বপনের ৬৫–৭০ দিন পর পরিপক্ব ফল পাওয়া যায়
– এক গাছ থেকে ২–৩টি মাঝারি আকারের তরমুজ পাওয়া সম্ভব
—
*স্লোগানঃ*
*“সবুজ বাইরেই নয়, ভিতরেও রসালো লাল – হাইব্রিড সবুজ তরমুজ!”*
*“তাজা, মিষ্টি, পুষ্টিকর – সবুজ তরমুজ চাষ করুন সহজে।”*